সাধারণ বেটার থেকে ভিআইপি সদস্য হওয়ার পথটা আসলে খুব সহজ। বেট করুন, পয়েন্ট জমান এবং উপভোগ করুন এমন সব সুবিধা যা অন্য কোথাও পাবেন না।
চারটি স্তরে বিভক্ত আমাদের ভিআইপি প্রোগ্রাম – আপনি যত বেশি খেলবেন, সুবিধা তত বাড়বে
F Bagee-তে ভিআইপি স্তর পরিবর্তন হয় প্রতি মাসের মোট বেট ভলিউমের ভিত্তিতে। যত বেশি বেট করবেন, তত দ্রুত উপরের স্তরে যাবেন।
গোল্ড স্তরে পৌঁছাতে আরও ১৩,০০০ টাকা বেট প্রয়োজন
| সুবিধা | ব্রোঞ্জ | সিলভার | গোল্ড | প্লাটিনাম |
|---|---|---|---|---|
| ক্যাশব্যাক | ৫% | ৮% | ১০% | ১৫% |
| ডেডিকেটেড ম্যানেজার | ||||
| তাৎক্ষণিক উইথড্র | ||||
| জন্মদিন বোনাস | ||||
| ওয়েজারিং মুক্ত বোনাস | ||||
| ইভেন্ট আমন্ত্রণ | ||||
| উচ্চ বেটিং লিমিট |
F Bagee ভিআইপি সদস্যরা যেসব এক্সক্লুসিভ সুবিধা পান
প্রতি সপ্তাহের নেট লসের উপর ৫% থেকে ১৫% পর্যন্ত ক্যাশব্যাক পান। সোমবার সকালে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ওয়ালেটে যোগ হয়।
গোল্ড ও প্লাটিনাম সদস্যরা একজন ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট ম্যানেজার পান যিনি যেকোনো সমস্যা দ্রুত সমাধান করেন।
ভিআইপি সদস্যদের উইথড্র রিকোয়েস্ট সর্বোচ্চ অগ্রাধিকারে প্রসেস হয়। প্লাটিনাম সদস্যদের জন্য তাৎক্ষণিক পেআউট।
ঈদুল ফিতর, ঈদুল আযহা, পহেলা বৈশাখ ও জন্মদিনে বিশেষ বোনাস পান। ভিআইপি স্তর অনুযায়ী বোনাসের পরিমাণ বাড়ে।
শুধুমাত্র ভিআইপি সদস্যদের জন্য আয়োজিত বিশেষ বেটিং টুর্নামেন্টে অংশ নিন এবং বড় পুরস্কার জিতুন।
সাধারণ সদস্যদের চেয়ে বেশি পরিমাণে বেট করার সুযোগ পান। বড় ম্যাচে বড় বাজি ধরতে আর সীমাবদ্ধতা নেই।
বাংলাদেশে অনলাইন বেটিং প্ল্যাটফর্মের সংখ্যা কম নয়। কিন্তু সত্যিকারের ভিআইপি অভিজ্ঞতা দিতে পারে হাতে গোনা কয়েকটি সাইট। F Bagee সেই তালিকায় আলাদা জায়গা করে নিয়েছে একটাই কারণে – এখানে ভিআইপি প্রোগ্রামটা শুধু নামে নয়, সত্যিই কার্যকর।
অনেক সাইটে দেখা যায় "ভিআইপি" বলে একটা ট্যাগ দেওয়া হয়, কিন্তু বাস্তবে সুবিধার পার্থক্য সামান্যই। F Bagee-তে চারটি আলাদা স্তরে সুবিধার পরিষ্কার পার্থক্য আছে। ব্রোঞ্জ থেকে প্লাটিনাম – প্রতিটি স্তরে নতুন কিছু পাচ্ছেন, এটা অনুভব করা যায়।
প্রতি সপ্তাহে আপনার নেট লস হিসাব করে সেটার উপর নির্ধারিত শতাংশ ক্যাশব্যাক দেওয়া হয়। ধরুন আপনি সিলভার স্তরে আছেন এবং সপ্তাহে ৫,০০০ টাকা নেট হারিয়েছেন – তাহলে পাবেন ৪০০ টাকা ক্যাশব্যাক। এই টাকায় কোনো ওয়েজারিং শর্ত নেই, সরাসরি ব্যবহার করা যাবে।
F Bagee-র ক্যাশব্যাক সিস্টেমের সবচেয়ে ভালো দিক হলো এটা স্বয়ংক্রিয়। কোনো কোড দিতে হয় না, কোনো ফর্ম পূরণ করতে হয় না। প্রতি সোমবার সকালে আপনার ওয়ালেটে এটা যোগ হয়ে যায়।
গোল্ড বা প্লাটিনাম সদস্যরা একজন নির্দিষ্ট ব্যক্তিগত ম্যানেজারের সাথে কাজ করেন। এর মানে হলো যেকোনো সমস্যায় লাইনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করতে হবে না। ম্যানেজার সরাসরি আপনার অ্যাকাউন্ট সম্পর্কে জানেন এবং ব্যক্তিগতকৃত অফার ও পরামর্শ দিতে পারেন।
অনেক সময় বড় ম্যাচের আগে বিশেষ অড্স বুস্ট বা কাস্টম বোনাস অফার করা হয় শুধুমাত্র ভিআইপি সদস্যদের। এই অফারগুলো সাধারণ প্রমো সেকশনে দেখা যায় না, সরাসরি ম্যানেজারের মাধ্যমে পাঠানো হয়।
প্লাটিনাম স্তর শুধু একটি উপাধি নয়। এখানে বেশ কিছু এক্সক্লুসিভ সুবিধা আছে যা অন্য কোনো স্তরে নেই। তাৎক্ষণিক উইথড্র মানে রিকোয়েস্ট দেওয়ার কয়েক মিনিটের মধ্যেই টাকা পাওয়া যায়। ওয়েজারিং মুক্ত বোনাস মানে বোনাস পেলে সরাসরি উইথড্র করা যাবে, কোনো শর্ত নেই।
এছাড়া F Bagee-র বিশেষ লাইভ ইভেন্টে প্লাটিনাম সদস্যরা আমন্ত্রিত হন। ক্রিকেট, ফুটবল বা অন্য বড় টুর্নামেন্টের সময় এক্সক্লুসিভ ভিউয়িং পার্টি বা অনলাইন ইভেন্টে যোগ দেওয়ার সুযোগ পান।
স্তর মূল্যায়ন প্রতি মাসের শেষে হয়। যদি চলতি মাসে আপনার বেট ভলিউম পরবর্তী স্তরের শর্ত পূরণ করে, তাহলে পরের মাসের শুরু থেকেই নতুন স্তরের সুবিধা পাবেন। স্তর কমে যাওয়ার বিষয়টাও আছে – টানা দুই মাস শর্ত পূরণ না করলে স্তর এক ধাপ নামতে পারে।
তবে একটা ভালো খবর হলো, একবার প্লাটিনাম হলে তিন মাসের গ্রেস পিরিয়ড থাকে। অর্থাৎ এক বা দুই মাস কম বেট করলেও সাথে সাথে স্তর কমে যাবে না। এটা F Bagee-র বিশ্বস্ত সদস্যদের প্রতি সম্মানের প্রকাশ।
"গোল্ড স্তরে আসার পর থেকে অভিজ্ঞতাটা পুরো আলাদা। ডেডিকেটেড ম্যানেজার পাওয়ার পর থেকে যেকোনো সমস্যা মিনিটের মধ্যে সমাধান হয়।"
"প্লাটিনাম হওয়ার পর থেকে উইথড্র নিয়ে কোনো টেনশন নেই। রাত ১২টায় রিকোয়েস্ট দিলেও ১০ মিনিটে বিকাশে টাকা চলে আসে।"
"সিলভার থেকে শুরু করেছিলাম, এখন গোল্ডে আছি। F Bagee-তে ক্যাশব্যাকটা সত্যিই পাওয়া যায়, শুধু কথায় নয়।"
F Bagee-তে নিবন্ধন করুন এবং প্রথম দিন থেকেই ব্রোঞ্জ ভিআইপি সুবিধা উপভোগ করুন।